গণমাধ্যম সম্পাদক পরিষদ

আমাদের উদ্দেশ্য

বাংলাদেশ অনলাইন গণমাধ্যমসম্পাদক পরিষদ বাংলাদেশের অনলাইন সংবাদপত্রসমূহের একটি সংগঠন, যার লক্ষ্য হলো আধুনিক মিডিয়া অঙ্গনে আইন, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি এবং মানবাধিকার বিষয়ে পারষ্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা।  কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নে অনলাইন সংবাদপত্রের সম্পাদকদের জন্য দূরদর্শিতার অনুশীলন একটি শক্তিশালী পদ্ধতি। এই সংগঠন গড়ে তোলার সময় আমরা অর্থাৎ সম্পাদক সংগঠন বড় মাপের পরিবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করছিলাম তখন এ অনুশীলনটি খুবই উপযোগী বলে মনে করছি। সংগঠনের সমৃদ্ধির জন্য যে কোনো ধরনের পরিবর্তন আনতে হলে নের্তৃত্বকে দূরদর্শী হতে হয়। সে সংগঠক অথবা নের্তৃত্ব দূরদর্শী যিনি ভবিষ্যৎকে দেখতে পান, বিশ্লেষণ করতে পারেন এবং ফলাফল অর্জনে লক্ষ্য স্থির করতে পারেন। আমরা আমাদের অনুশীলন চর্চা করার পূর্বে সংগঠনের লক্ষ্য (ভিশন) এবং উদ্দেশ্য (মিশন) সম্পর্কে একটা স্পষ্ট ধারণা দিচ্ছি। লক্ষ্য বা ভিশন হচ্ছে একটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বক্তব্য যা একটি সংগঠন মধ্যবর্তী বা দীর্ঘমেয়াদে অর্জন করতে চায়। আর উদ্দেশ্য বা মিশন হচ্ছে লক্ষ্য পূরণে সংগঠনটি মধ্যবর্তী মেয়াদে বা দীর্ঘমেয়াদে কী কী কাজ সম্পাদন করবে। সহজ কথায় ভিশন হচ্ছে স্বপ্ন দেখা আর মিশন হচ্ছে স্বপ্ন বাস্তবাায়নে দৃঢ়তার সঙ্গে কিছু কাজ সম্পাদন করা। আমাদের স্বপ্ন কিন্তু কোনো ব্যক্তির বা বহিঃপ্রেরণাকারীর স্বপ্ন নয়; আমাদের স্বপ্ন সংগঠনের সব মিলে ফলে তার বাস্তবাায়নও হবে সবার অংশীদারিত্বে। আমরা মনে করি, এক. আমাদের সংগঠনকে সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও বিশ্বস্ত এবং সক্রিয় সংস্থা হিসেবে শক্তিশালী করে সদস্যদের জীবনমানের উন্নয়ন সাধন করব। আমাদের ভিশন হিসেবে তিনটি বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এক, সংগঠনের কার্যাবলিতে স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা এনে শক্তিশালী করবে । দুই, শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলার মাধ্যমে সদস্যদের জীবনমানের উন্নতি ঘটাবো । তিন. মধ্যমেয়াদি সময়ে অর্থাৎ আগামী ৩ বছরে আমরা একটি বড় অর্জন করতে চাই ।

আর এ লক্ষ্য পূরণে আমরা আমাদের সংগঠনের সকলে মিলে উদ্দেশ্যসমূহ ঠিক করব । তা নিম্নরূপ:

  • বাংলাদেশের সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলার অনলাইন পত্রিকার সম্পাদকদের অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে চিহ্নিত করা ।
  • চিহ্নিত সমশ্রেণীর সম্পাদকদের নিয়ে অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে অনলাইন সংবাদপত্রে বিদ্যমান প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা যা সব সম্পাদককে সমভাবে প্রভাবিত করে ।
  • চিহ্নিত প্রধান সমস্যা সমাধানে একযোগে কাজ করতে সবাইকে সংবেদনশীল ও সচেতন করা ।
  • সচেতন, সংবেদনশীল ও সংগঠনমনা সম্পাদকদের নিয়ে সংগঠন গড়ে তোলা ।
  • সবার অংশীদারিত্বে সংগঠনের গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করা
  • গঠনতন্ত্রের আলোকে সংগঠন পরিচালনার কৌশল নির্ধারণ করা
  • অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে সব সদস্যর অনলাইন গণমাধ্যম বৃত্তান্ত ফরম পূরণ করে তাদের সংবাদপত্রের সার্বিক তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা ।
  • সদস্য বৃত্তান্ত অনুসারে সংগঠনের পরিকল্পনা প্রণয়ন করা ।
  • সদস্যদের জন্য সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণ সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ।
  • সংগঠনের আর্থিক ভিত্তি মজবুত করতে নিয়মিত সদস্য চাঁদা আদায় এবং সামাজিক কার্যাক্রমে অংশগ্রহন । ‘আগামী ৩ বছরে আমরা একটি টেকসই সংগঠন হিসাবে গড়ে উঠতে চাই’’ ।

 

%d bloggers like this: