এবার বাংলাদেশেও রেড ভলান্টিয়ার্স

তুহিন সারোয়ার-

ওপার বাংলার পর এবার এপার বাংলাতেও রেড ভলান্টিয়ার্স (Red Volunteers)। সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে বাংলাদেশের রেড ভলান্টিয়ার্স গ্রুপ। পড়ুন বিস্তারিত…

হাইলাইটস

  • মুমূর্ষু রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া থেকে শুরু করে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা।
  • তবে কি বাংলাদেশেও শাখা সংগঠন তৈরি করল বঙ্গ CPIM-এর Red Volunteers দল?
  • গত ৩০ জুন গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে এই রেড ভলান্টিয়ারদের যাত্রা শুরু হয়।

মুমূর্ষু রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া থেকে শুরু করে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা। করোনা আক্রান্তের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়া থেকে বাড়ি বাড়ি স্যানিটাইজেশন। মহামারী পর্বে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে থেকে নজির গড়েছে CPIM-এর ছাত্র-যুব সংগঠনের তৈরি রেড ভলান্টিয়ার্স (Red Volunteers)। রাজনীতির প্রতিযোগিতায় সমর্থন না পেলেও তাঁদের মানবিক এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে সকলেই। ইতমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের প্রায় প্রতিটি জেলাতেই রয়েছে ভলান্টিয়াররা। আর এবার সীমানা পেরিয়ে ওপার বাংলাতেও হদিশ মিলল রেড ভলান্টিয়ারদের। আর্তের পাশে দাঁড়াতে করোনাকালে বাংলাদেশেও যাত্রা শুরু করল রেড ভলান্টিয়ার্স গ্রুপ।

তবে কি বাংলাদেশেও শাখা সংগঠন তৈরি করল বঙ্গ CPIM-এর Red Volunteers দল? বাংলাদেশের রেড ভলান্টিয়ারদের সঙ্গে এ রাজ্যের রেড ভলান্টিয়ার্স দলের কোনও যোগসূত্র নেই। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের এই দল একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মাত্র। যারা ঘটনাচক্রে রেড ভলান্টিয়ার্স নামটি ব্যবহার করছে। লোগোটিও এক রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি তৈরি হয়েছে ওপার বাংলার ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর ছাত্র সংগঠনের উদ্যোগে। ছাত্র সংগঠনের সভাপতি আনামুল হাসান ওনয়। গৌরীপুর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার অধিকর্তা ডাঃ মোঃ রবিউল ইসলামের তত্ত্বাবধানেই সংগঠনের কর্মকাণ্ড চলছে। গত ৩০ জুন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে এই রেড ভলান্টিয়ার্সদের যাত্রা শুরু। তবে সংগঠনের নামের মধ্যে ‘রেড’ শব্দটি কেন ব্যবহার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, গৌরীপুরের ছাত্র সংগঠন মূলত বামপন্থার আদর্শেই চলে। আর তাই তাঁরা এই নামটিই ব্যবহার করছে। যদিও দলের কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক প্রভাব নেই বলেই উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন।  গত ৩০ জুন গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে এই রেড ভলান্টিয়ারদের যাত্রা শুরু হয়। সংগঠনের তরফে এম হাসান শুভ বলেন, ‘করোনা পর্বে মানুষের পাশে দাঁড়াতে, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেই আমাদের এই প্রচেষ্টা। আমরা কোভিড-১৯ কে প্রতিরোধ করতে, মানুষকে এই ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি আক্রান্ত রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধ, অক্সিজেন এবং জরুরী পরিস্থিতিতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। কারও পরিবারে খাবারের প্রয়োজন হলে আমরা রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়ারও ব্যবস্থা করছি।

Be the first to write a comment.

Leave a Reply